![]() |
| তিনিই দুনিয়ার সেরা ফুটবলার |
‘অহংকারী’, ‘উদ্ধত’ রোনালদো আরও একবার অকপটে বের করে দিলেন মনের ভেতর জমানো সব কথা। ব্রিটিশ দৈনিক ‘দ্য টাইমস’-এ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে মাঠের বাইরের রোনালদো। তাঁর ক্যারিয়ারে অ্যালেক্স ফার্গুসনের প্রভাব, তাঁর বিনয় নিয়ে প্রশ্ন, বাবার মৃত্যু...অনেক প্রসঙ্গই। সেখানেই শত্রুদের ‘আপন’ করে নিলেন রোনালদো, ‘মানুষ আমাকে ঘৃণা করলেও তাতে কিছু মনে করি না। বরং এটা আমাকে ভালো কিছু করার তাড়না দেয়। ঘৃণাকারীদের মধ্যে থেকেও ইতিবাচক কিছু খুঁজে নেওয়া যায়। আর আমি তা-ই করি।’
মাঠে নামলে রোনালদো রোনালদো স্লোগানে গ্যালারি প্রকম্পিত হয়। আবার প্রতিপক্ষ শিবিরেও কখনো কখনো তাঁর স্তুতি ছাপিয়ে ভেসে আসে বিদ্রূপের কোরাস। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই এর সঙ্গে রোনালদো অভ্যস্ত। আগেও অনেকবার বলেছেন, দর্শকদের দুয়ো শুনলে বরং উল্টো অনুপ্রাণিতই হন। প্রতিপক্ষের ভেন্যুর দর্শকদের আচরণ নিয়ে আবারও বললেন, ‘বলে পা ছোঁয়ানো মাত্রই ওরা চেঁচামেচি শুরু করে দেয়। সেই ১৮-১৯ বছর বয়স থেকেই আমার সঙ্গে এটা হয়ে আসছে। এসব এখন আর গায়েই লাগে না।’
তেমনি গায়ে লাগে না ‘উদ্ধত’, ‘অহংকারী’ অপবাদগুলোও। লাফিয়ে উঠে দুহাত দুদিকে ছড়িয়ে দিয়ে উন্মত্ত উদযাপন, কিংবা দুহাত দিয়ে ন্যু ক্যাম্পের গ্যালারি উপচানো বার্সা সমর্থকের উদ্দেশ করে বার্তা দেওয়া—‘ঢের বকুনি হয়েছে, শান্ত হও’, এ শুধু রোনালদোর পক্ষেই সম্ভব। এই উদ্ধত ভঙ্গি হয়তো অনেকের পছন্দ নয়। তবে রোনালদো বলছেন, তিনি ভান করতে জানেন না। তাঁর মুখের ওপর কৃত্রিম ভদ্রতার খোলস নেই। বলেছেন, ‘আমি দুনিয়ার সবচেয়ে বিনয়ী লোক নই, তা মানতে হবে। তবে আমি কোনো ভণিতাও করি না। অবশ্য একটা দিকে আমি অনেক বিনয়ী—সব সময় শিখতে চাই।’

No comments:
Post a Comment