মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নি¤œ মাধ্যমিক-মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, কারিগরি ও মাদরাসার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে নন্-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন এমপিওভুক্তির দাবিতে সংহতি সমাবেশ পালন করেন। রোববার আন্দোলনের ১৪তম দিনে ৮ নভেম্বর সকাল ১১ টায় গণসংহতি সমাবেশ শুরু হয়। উল্লেখ্য এর আগে শিক্ষক-কর্মচারীরা ২৬-২৭ অক্টোবর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ও ২৮-২৯ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তারপর ৩০ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত লাগাতার ৬ দিন অনশন কর্মসূচি পালন করেন। দীর্ঘ ৬ দিনের অনশনের কারণে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় নাগরিক সমাজের অনুরোধের ফলে তারা অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন। বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ শিক্ষকদের অনশন ভাঙ্গান। কিন্তু তারপরও এমপিওভুক্তির দাবি আদায় না হওয়ায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এরপর আবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলছে। আজ আন্দোলনের ১৪ তম দিনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংহতি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ, তেল গ্যাস খনিজ বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলাম লেখক আবু সাঈদ খান, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, স্বদেশ পার্টির সভাপতি রফিকুল ইসলাম মন্টু, দৈনিক শিক্ষাবার্তার সম্পাদক অধ্যাপক এ.এন রাশেদা, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বাশিস) সভাপতি নজরুল ইসলাম রনি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও শিক্ষক কর্মচারী মহাঐক্যজোটের সভাপতি বাছির উদ্দিন, শিক্ষক কর্মচারী মহাঐক্যজোটের সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বাশিস) ঢাকা মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি জনার্দন দত্ত নান্টু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শম্পা বসু, মানবাধিকার সংস্থা ইডাফের প্রতিনিধি শামসুজ্জোহা তুহিনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নেতৃবৃন্দ। বক্তারা দীর্ঘ ২ সপ্তাহ পেরোলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সাড়া না পাওয়ায় তীব্র সমালোচনা করে বলেন সরকার নি¤œ মধ্যম আয়ের এবং ক্ষুধামুক্ত দেশ হয়েছে বলে দাবি করেন অথচ এসব শিক্ষকদের িেকান আয় নেই, তারা পরিবার পরিজনসহ বছরের পর বছর অভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন। শিক্ষকদের অভুক্ত রেখে মান সম্মত শিক্ষাদান সম্ভব নয়। তাঁরা অনতিবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে শিক্ষক-কর্মচারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

No comments:
Post a Comment